10.04.2009

0

আলু চপ (কিমা চপ)

আলু চপের এই রেসিপিটা ঈদের সময়, বিশেষ করে রোজার ঈদে আমার মেয়েরা সব সময়ই করে। প্রতিবেশি আর আত্মীয়দের প্রিয়। আমার ঘরেও সবার খুব প্রিয় এই রেসিপিটি। আলু চপ মজা হওয়ার পেছনে আলুর ভেতরে পুর হিসাবে কিমা দেয়াটা একটা বড় কারণ। তাছাড়া চপ ভাজার পর দেখতেও ভাল দেখাতে হবে, সুন্দর পরিবেশনাও জরুরী। কিভাবে আলু চপ করতে হবে দেখুন।

উপকরণ

আলু - আধা কেজি
পেঁয়াজ ভেরেস্তা - ২ টেবিল চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া - ১/৩ চা চামচ
ধনেপাতা কুচি - ১ চা চামচ
কাঁচামরিচ কুচি (মিহি করে) - ১ চা চামচ
লবণ পরিমাণমতো
ডিম - ১ টা
টোস্ট বিস্কুট গুঁড়া করা - আধা কাপ
বিট লবণ - ১/৩ চা চামচ
তেল (ভাজার জন্য)

প্রস্তুতপ্রণালীঃ
চপ বানানোর পূর্বপ্রস্তুতি-

ভেরেস্তা তৈরীঃ প্রথমে পেয়াজের ভেরাস্তা করে নিন। চুলায় পাতিল চাপিয়ে খানিকটা গরম হলে পরিমাণমতো তেল দিন। তেল গরম হলে পেয়াজ কুচি দিয়ে নাড়তে থাকুন। চুলার আঁচ কমিয়ে পেয়াজ ভেজে বাদামী করে তুলে রাখুন।

কিমা তেরীর প্রক্রিয়াঃ মাংসের কিমা ২৫০। প্রথমে কড়াইতে ২ টেবিল চামচ তেল গরম করে তাতে ২ টেবিল চামচ পেঁয়াজ কুচি ও লবণ দিয়ে নাড়ুন । এবার আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, দারুচিনি ২ টুকরা, লবঙ্গ ও এলাচ ২টা এবং মাংসের কিমা দিয়ে নাড়তে থাকুন । সামান্য একটু পানি দিন। পানি উঠে শুকিয়ে তেলের ঊপর ঊঠলে নামিয়ে রাখুন। ডিমের ওমলেটের কিমা দিয়েও করতে পারেন।

এবার আলু চপ তৈরী করুন -

আলু ধুয়ে সিদ্ধ করুন। সিদ্ধ আলুর পানি ঝরিয়ে নিন। এবার সাথে সাথেই এই সিদ্ধ করা আলুগুলো চুলায় খালি গরম পাতিলে দিয়ে আলুর গায়ে লেগে থাকা পানি শুকিয়ে নিন। খোসা ছাড়িয়ে আলুগুলো চটকে নিন।

এখন পেঁয়াজ ভেরেস্তা, গোলমরিচ গুঁড়া, বিটলবণ, ১ চা চামচ টোস্টের গুঁড়া, ধনেপাতা, কাঁচামরিচ, লবণ একসাথে ভাল করে মেশান। এবার এই মিশ্রণটি আলুর সাথে ভাল করে চটকে মেখে নিন। ভাল করে মেশানোর জন্য মলতে পারেন বেশি করে।

তারপর মাখানো আলু ১০ ভাগ করে মাংসের এর ভেতরে আগেই করে রাখা মাংসের কিমার পুর দিয়ে আলুর চপ ইচ্ছামত বিভিন্ন আকারের [যেমন- ডিম্বাকার, গোলাকার] করে তেরী করে নিন। দেখবেন কিমার পুর এর উপর যেন আলু দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন। এখন কাচা চপ ফেটানো ডিমের মধ্যে চুবিয়ে তা টোস্টের গুঁড়ায় গড়িয়ে নিন, তাতে ডিমে চুবানো চপের গা শুকিয়ে যাবে। এবার ডুবো তেলে ভাঁজুন।

এবার টমেটো সস কিংবা চিলি সস সাথে শশা কেটে সাজিয়ে পরিবেশণ করুন। ছবিতে যে টমেটো সস দেখতে পাচ্ছে তা আমার রান্না ঘরেই করা, টমেটোর সিজনে করে রাখি বছরের অনেকখানি চলে যায়। বাজারের সসে নাকি টমেটোই থাকে না।

টিপসঃ
ভেরেস্তা এবং কিমা আপনি আলুগুলো সিদ্ধ করার পর করতে পারেন। অথবা কিমা সবার আগে করে রাখতে পারেন। আমি কখনো বিশেষ করে ঈদেরদিন করতে গেলে আগের রাতেই ন্যনপক্ষে কিমা করে রাখি।

চট্টগ্রাম , ০২/১০/০৯

10.03.2009

0

সেমাই জর্দা

সেমাই, বাংলাদেশের ঈদে এটি এমন একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ যে সেমাই নিয়ে আলাদা করে তেমন কিছুই বলার থাকেনা। বিশেষ করে ঈদুল ফিতরে আমাদের ঘরে ঘরে সেমাই থাকবেই। এজন্যেই হয়ত ঈদুল-ফিতর সেমাই ঈদ নামেও পরিচিত। তবে ইদানীং ঈদের খাবারের লিস্টে সেমাই খুব একটা আদর নাপেয়ে লিস্টের নীচের দিকে নেমে গেছে। আবার অন্য চিত্রও দেখা যায়, এখন অনেকেই ভিন্ন ভিন্ন রেসিপিতে সেমাই করে থাকেন - প্রশংসনীয় ব্যাপারটা। ঈদের দিন আমার ঘরে অনেক বছর ধরেই এই সেমাই জর্দা তৈরী করি, আমার ছেলে-মেয়েরা পছন্দ করে তাই। ঈদের দিন সকাল বেলায়ই বাড়ির পুরুষরা নামাজ থেকে ফিরে আমার হাতে করা সেমাই জর্দা খায় কিছু ঝাল খাবারের সাথে। আজ আপনাদের জন্য রেসিপিটি দিলাম, কেউ রান্না করলে জানাবেন কেমন লেগেছে। এই রেসিপিটি কারো কাছে সেমাই পোলাও কিংবা পোলাও সেমাই নামেও পরিচিত।


উপকরণ:

কুলসন সেমাই - ১ প্যাকেট
(কুলসন সেমাই না পেলে, যেকোন দেশি সেমাই, যাকে অনেকে বাংলা সেমাই বলে থাকেন, একটু লালচে রং-এর খোলা সেমাইটাই আসলে বাংলা সেমাই নামে পরিচিত)

চিনি - ২ কাপ
নারকেল কুরানো - ১ কাপ
কিশমিশ - ২ টেবিল চামচ
চীনা বাদাম (ভাজা) - ৩ টেবিল চামচ
দারুচিনি - ৩ টুকরা
তেজপাতা - ২ টা
ঘি - ৪ টেবিল চামচ
পানি - ২ কাপ
লবন - পরিমাণমতো

প্রস্তুতপ্রণালী:

চুলাতে কড়াই চাপিয়ে আগুনের আচেঁ কড়াইয়ের ভেতরটা শুকাতে দিন। এবার গরম কড়াইতে ঘি দিয়ে দিন। ঘি সামান্য গরম হলে চিনি দিন । এবার ১ প্যাকেট সেমাইয়ের অর্ধেকটা এই গরম ঘিয়ে ঢেলে দিয়ে ১০/১৫ মিনিট নাড়ুন, সেমাইটা ঘিয়ে ভাজা হবে ।

এবার এতে কুরানো নারকেল দিয়ে নাড়তে থাকুন, কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে দিন আর চুলার আঁচ কমিয়ে নাড়তে থাকুন । পানি শুকিয়ে আসলে বাদাম, কিশমিশ, তেজপাতা, দারুচিনি দিয়ে আরো মিনিট দশেক মৃদু জ্বালে দমে রাখুন । সেমাই ঝরঝরে হলে নামিয়ে পরিবেশণ করুন ।
টিপসঃ
সেমাইটা সরাসরি ঘিয়ে না দিয়ে একটু প্রসেস করে নিতে পারেন, এতে সেমাইটা নরম হবে। কি করতে হবে বলছি - আলাদা পাত্রে পানি গরম করে তাতে সেমাইটা মিনিট পাচেক সিদ্ধ হতে দিন, এবার একটা ঝাঁঝরিতে গরম পানি সহ সিদ্ধ সেমাইটা ঢেলে দিন, পানি ঝরে যাবে। এবার সাথে সাথেই সিদ্ধে গরম সেমাইটার উপর ঠান্ডা পানির ধারা দিন, তাতে সেমাইটা ঝর-ঝরে হয়ে যাবে আর ঠান্ডা হবে। এ অবস্থায় সেমাইটা পাতিলে গরম ঘিয়ে ঢেলে দিন। এখান থেকে রেসিপি'র বাকী অংশ অনুসরণ করুন।
চট্টগ্রাম, ৩০/০৯/০৯

10.02.2009

0

Mixed Apple Salad (মিক্সড আপেল সালাদ)

 সালাদ, মিক্সড সালাদ, Mixed Apple Salad, মিক্সড আপেল সালাদ
উপকরণঃ

আপেল - ১ টা (বড় সাইজের)
শশা - ২টা (মাঝারী)
টমেটো - ১টা
লবণ - স্বাদমতো
বিট লবণ - সামান্য পরিমান
চিনি - ১ টেবিল চামচ
টকদই - ২ টেবিল চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া - আধা চামচের ২ভাগের ১ ভাগ
সাজানোর জন্য - পুদিনাপাতা ।

প্রস্তুতপ্রণালীঃ

শশা, আপেল, টমেটো কিউব করে (কিংবা ছবি'র মত করে) কেটে তার সাথে পুদিনাপাতা ছাড়া সব উপকরণ মেখে নিন। পরে পুদিনাপাতা সালাদের উপর সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

৩০/০৯/০৯ , চট্টগ্রাম

10.01.2009

0

মোরগ পোলাও - আমার মত করে

মোরগ পোলাও এর এই রেসিপিটি আমার মত করেই। বলছি কেন? আমার ছেলে দেশের একজন বিখ্যাত লেখকের স্মৃতিচারণ মূলক বইতে পড়েছে ঢাকায় এখন যে মোরগ পোলাও হয় বিভিন্ন রেষ্টুরেন্টে তাতে মোরগ পোলাও এর সেই পুরনো স্বাধ নেই। পুরান ঢাকার রেষ্টুরেন্ট গুলোতেও এখন মোরগ পোলাও এখন অনেক কমার্শিয়াল। মোরগ পোলাও করতে যে বিশেষ রকম মশলার মিশ্রণ তৈরী করতে হয় তাই এখন আর কেউ করতে চায় না। ঢাকার সেই মোরগ পোলাও আমি খাইনি। যাই হোক সে জন্যেই বলছি এই রেসিপিটি আমার মত করেই, একে ঠিক মোরগ-পোলাও বলা ঠিক হবে না।


উপকরণঃ

পোলাউর চাল - আধা কেজি
মোরগের মাংস - দেড় কেজি
মুশারীর ডাল - আধা কাপ
পেয়াঁজ কুচি - ১ কাপ
পেয়াঁজ বাটা - ২ টেবিল চামচ
আদা বাটা - ২ চা চামচ
রসুন বাটা - ১ টেবিল চামচ
গরম মসলা গুঁড়া/বাটা - ১ চা চামচ
তেজপাতা - ২ টা
টক দই - ২ টেবিল চামচ
আলু বোখারা - ২ টা
[দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, জায়ফল, জয়ত্রী] একত্রে বাটা - ১ চা চামচ
লবণ - পরিমাণমতো
ঘি - ২ টেবিল চামচ
সয়াবিন তেল - আধা কাপ
চিনি - ১ চা চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া - আধা চা চামচ
কাঁচামরিচ - ২/৩ টা
পেয়াঁজ বেরেস্তা - ১ কাপ
জিরা বাটা - ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া - চা চামচের ৩ ভাগের ১ ভাগ
মরিচ - আধা চা চামচ
ধনে গুঁড়া - ১ চা চামচ
পানি - ৪ কাপ

প্রস্তুতপ্রণালীঃ

মোরগের চামড়া ছাড়িয়ে হাঁড় সহ ১২ টুকরা করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। পানি ঝরে গেলে এতে পেয়াঁজ বাটা, আদা বাটা, রসুন বাটা, চিনি, দারুচিনি-এলাচ-লবঙ্গ-জায়ফল-জয়ত্রী একত্রে বাটা, গোলমরিচ গুঁড়া, লবণ, জিরা বাটা, হলুদ গুঁড়া, মরিচ গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, আলু বোখারা, টক দই দিয়ে ভাল করে মেখে ১ ঘন্টা রাখতে হবে।

পোলাওর চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। ঘি তেল একসঙ্গে চুলায় দিয়ে একটু গরম হলে তাতে পেয়াঁজ কুচি দিয়ে নাড়ুন, বাদামী হয়ে পেয়াঁজ ভেরেস্তা হবে। পেয়াঁজের ভেরেস্তা টুকু আলাদা তুলে রাখুন। ঐ তেলে গরম মসলা ও তেজপাতার ফোড়ন দিয়ে মাখানো মাংস দিয়ে কষাতে হবে।

মাংস সিদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে গেলে মাংসের টুকরা তুলে রাখতে হবে। ঐ হাড়িতেই পোলাওর চাল দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে, তারপর তাতে ৪ কাপ পানি, লবণ দিয়ে ঢেকে দিন। চুলার আচ কমিয়ে দিন। চাল ফুটে উঠলে মাঝে মাঝে নেড়ে দিয়ে মাঝারী আঁচে ঢেকে রাখুন। পোলাউর পানি শুকিয়ে এলে কিছুটা পোলাও উঠিয়ে রান্না করা মোরগের মাংসের টুকরাগুলো পাতিলের বাকী পোলাওর মধ্যে দিয়ে তার সাথে কাঁচামরিচসহ বাকী পোলাও দিয়ে মৃদু আঁচে কিছুক্ষণ দমে রাখুন। ১০ মিনিট পর হালকাভাবে নেড়ে দিয়ে আবার দমে রাখুন। আরো ৫ মিনিট পর নামিয়ে ফেলুন। পরিবেশনের সময় ভেরেস্তা পোলাওর উপরে ছড়িয়ে সালাদসহ পরিবেশন করুন ।

৩০/০৯/০৯, চট্টগ্রাম ।

9.30.2009

0

পায়েশের স্বাধ দুধেই

পায়েশকে কেউ ফিরনিও বলে থাকেন। যে যাই বলুক আমার কাছে পায়েশ আর ফিরনি মূলতঃ একই জিনিস। উপকরণ আর প্রস্তুতপ্রণালীতে তেমন কোন পার্থক্য নেই। যা বলছিলাম – পায়েশের স্বাধ আসলে দুধেই। আমি একান্ত বাধ্য না হলে গরুর দুধ ছাড়া পায়েশ করিনা। গরুর দুধ না পেলে মিল্কভিটা বিকল্প হিসেবে ব্যাবহার করতে পারেন। দুধ জ্বাল হতে থাকে আর তাতে সামান্য চাল সিদ্ধ হয়ে মিলে-মিশে একাকার হয়ে যাবে। ঠান্ডা হওয়ার পর দুধে আর সুগন্ধি চালে পায়েশের ঘ্রাণ আপনাকে আকর্ষন করবেই। এই আকর্ষনে পরিবেশনা ভিন্ন মাত্রা যোগ করে বরাবরই।





উপকরণঃ

দুধ - দেড় থেকে দুই লিটার
পোলাওয়ের চাল – দুই মুঠ
চিনি – ৫ কাপ (কিংবা পরিমানমতো, পায়েশ খুব বেশি মিষ্টি হলে ভাল লাগবে না)
কিশমিশ – ১৬/১৭ টা
দারুচিনি – ৩ টুকরা
এলাচ – ২/৩ টা (গোটা অথবা গুঁড়া)
তেজপাতা – ২ টা
ভাজা চীনাবাদাম অথবা পেস্তাবাদাম – ২ টেবিল চামচ
ঘি – ১ টেবিল চামচ

প্রস্তুতপ্রণালীঃ

প্রস্তুতির শুরুতেই পোলাওর চাল ধুয়ে আধাঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে (এতে চাল সিদ্ধ হতে সময় কম লাগবে)। এরই মধ্যে দুধটা চুলোয় চাপিয়ে জ্বাল দিন। খেয়াল রাখবেন দুধ যেন গরম হয়ে উপচে না পড়ে। দুধ কিছুক্ষন জ্বাল হয়ে একটু ঘন হয়ে এলে এতে ভিজিয়ে রাখা চাল পানি থেকে তুলে দুধে দিয়ে দিন। ভাল করে নেড়ে দিন। চালসহ দুধ ফুটতে শুরু করবে। চুলার আঁচ একটু কমিয়ে দিয়ে এসময় হালকা হাতে নাড়তে থাকুন। চাল সিদ্ধ হতে থাকবে। মাঝে মাঝে হালকা হাতে নাড়তে হবে, নইলে পাতিলের তলায় লেগে যাবে, পুড়েও যেতে পারে। পুড়ে গেলে পায়েসের স্বাধটাই নষ্ট হয়ে যাবে।

দেখবেন এসময়ে পাতিলের তলায় দুধ ঘন হয়ে লেগে যেতে শুরু করেছে, তাই নাড়া বন্ধ করা যাবে না। চাল সিদ্ধ হয়ে এলে এবার চিনি, দারুচিনি, এলাচ, তেজপাতা দিয়ে অল্প আঁচে নাড়তে থাকুন। চিনি একবারে ৫ কাপ না দিয়ে স্বাধ (মিষ্টি) চেখে দেখে যতটা প্রয়োজন ততটা দিতে পারেন। নাড়তে নাড়তে দেখবেন পায়েশ ঘন হয়ে খুব সুন্দর ঘ্রাণ বেরিয়েছে। এবার ১ টেবিল চামচ ঘি (অথবা কাঁচা দুধ দিতে পারেন) দিয়ে, ভাল করে নেড়ে মিশিয়ে দিন। নাড়তে থাকুন, আরো মিনিট পাঁচেক চুলায় রেখে নামিয়ে ফেলুন। নামানোর ঠিক আগে কিশমিশ আর এলাচ দিতে হবে। পায়েশ তৈরি।

পরিবেশনঃ

তবে এখানেই শেষ নয়। পায়েশ পরিবেশনার জন্যে আপনার একটা প্রস্তুতি দরকার। পরিবেশনাই পায়েশকে আরো আকর্ষনীয় করে তুলবে। পরিবেশনার জন্য পায়েশ ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা পায়েশ ছোট ছোট মাটির ভাঁড়ে অথবা সুন্দর ছোট কাঁচের পাত্রে তুলে উপরে বাদাম অথবা পেস্তাবাদাম কুচি করে ছড়িয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

চট্টগ্রাম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০০৯ (ঈদের দ্বিতীয় দিন)

6.20.2009

0

Fish Kebabs… (মাছের কাবাব)

Ingredients:

1 lb Thick fillet of any big (Monk) fish (বড় মাছ) or other firm fish
4 sm Garlic cloves, minced
1 tsp Ground cumin seeds
1/2 tsp Paprika (বড় ডোঙ্গা মরিচ, ঝাল নাই)
1/8 tsp Cayenne (Red hot long peppers)
1 generous pinch powder saffron
1/4 cup chopped fresh coriander leaf (ধনেপাতা কুচি)
1/4 cup Fresh lemon juice
3/4 cup Olive oil
Salt, Black pepper (কাল গোল মরিচ গুড়া হলে ভাল)


Preparation:
1. Cut the fillet of fish into 1″ cubes (এক ইঞ্ছি কিউব করে মাছের টূকরা করুন)

2. Combine the rest of the ingredients in a bowl, mix well.

3. Add fish to the bowl of herbs and spices, stir well, set aside to marinate for 2 hours, stirring occasionally.

4. Thread the cubes of fish onto metal skewers and place under a hot broiler for about 8 minutes, or until cooked through, turning once. Serve warm.

3.13.2009

0

Mixed সালাদ

Ingredients (উপকরণ):

শশা / খিরা - ২ টি
টমেটো - ৩ টি
গাজর - ১ টি
পেয়াঁজ কুচি - ১ টেবিল চামচ
ধনেপাতা কুচি - ১ টেবিল চামচ
কাঁচামরিচ কুচি - ১ চা চামচ
লবণ - পরিমাণমতো
সরিষার তেল - সামান্য

Method /প্রণালী

শশা , টমেটো , গাজর কেটে তার সাথে পেয়াঁজ , কাঁচামরিচ ও ধনেপাতা কুচি দিন। পরিমাণমতো লবণ ও সামান্য সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে খাবারের আগে পরিবেশন করুন ।

18/12/2008, চট্টগ্রাম
0

Vegetable Salad (সবজি সালাদ)

Ingredients (উপকরণ):

গাজর - ২ টি
শশা - ১ টি
পেঁপে - অর্ধেক
বিট - ২ টি
গোলমরিচ - পরিমাণমতো
ছোলা - ২ কাপ


Method (প্রস্তুত প্রণালী)

গাজর ও বিট গোল করে কেটে পানি ঝরিয়ে নিন। শশা, পেঁপে কেটে ছোলাসহ সব সবজি লবণ ও গোলমরিচ দিয়ে মাখিয়ে খাবারের আগে পরিবেশন করুন।


২৩/১২/২০০৮ , চট্টগ্রাম
0

ফলের সালাদ

উপকরণ

আনারস _ অর্ধেক
আঙ্গুর _ ৫০ গ্রাম
কমলা _ ১ টি
আপেল _ ২ টি
মধু _ আধা চা চামচ
ভিনেগার পরিমাণমতো
মরিচের গুঁড়া পরিমাণমতো


প্রস্তুত প্রণালী

আনারস , কমলা , আঙ্গুরগুলো প্রথমে ছোট টুকরা করে নিতে হবে। আপেল কেটে ভিনেগারে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তাহলে কালো হবে না। সব মাখিয়ে পরিবেশন করুন।

২৩/১২/২০০৮ , নাহার ইসলাম, চট্টগ্রাম
0

বাঁধাকপির সালাদ

উপকরণঃ

বাঁধাকপি কুচানো - মাঝারি ২ বাটি
পেয়াঁজ কুচি - ২ টেবিল চামচ
শুকনো মরিচ ভাঙ্গা - ৩ টা ( ছোট )
ধনেপাতা কুচি - ২ চা চামচ
সরিষার তেল - ১/২ চা চামচ
লবণ পরিমাণমতো (!)

প্রণালীঃ

বাঁধাকপি ভালো করে ধুয়ে কুচিয়ে নিন । এবার পেয়াঁজ কুচি , শুকনো মরিচ , লবণ , ধনেপাতা কুচি ও সরিষার তেল মাখিয়ে নিন । তারপর কুচানো বাঁধাকপির সাথে মাখানো উপকরণ্টি দিয়ে আবার মাখিয়ে নিন । রুচিমতো খাবারের সাথে পরিবেশন করুন ।

২৮/১২/০৮ , চট্টগ্রাম